মাসআলা (১১৬৮): আয়ের উপর খুমস ধার্য হওয়ার সময়কাল হচ্ছে তখনই, যখন আয়ের টাকা হাতে আসে। তবে খুমস পরিশোধ করার জন্য এক বছর পর্যন্ত অবকাশ দেওয়া হয়েছে। কাজেই মালিকের জন্য বছর শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত উক্ত টাকার খুমস পরিশোধ করা জায়েয। অনুরূপভাবে সে খুমসবর্ষকে আগ-পিছ করতে পারবে, তবে শর্ত হলো অতিবাহিত হওয়া সময়কালকে হিসাব করতে হবে এবং একাজে যেন খুমসের প্রাপকদের ক্ষতির কারণ না হয়।
মাসআলা (১১৬৯): বছরের আয়ের থেকে যে টাকা লাভ করার কাজে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা বাবদ, যেমন: পরিবহন খরচ, ক্ষয়ক্ষতি, দোকান ভাড়া, দালাল ও লেবার খরচ, খাজনা ইত্যাদি বাবদ খরচ করা হয়, তা ঐ বছরের আয় হতে কর্তন করা যাবে এবং তাতে খুমস নেই।
মাসআলা (১১৭০): যদি কোনো ব্যক্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি কিংবা স্বর্ণমুদ্রা খরিদ করে, তাহলে উক্ত ক্রয় মূল্য এবং অনুরূপভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত মূল্যের উপর খুমসবর্ষের মাথায় গিয়ে খুমস ধার্য হবে, যদি তা বিক্রয় নাও করে থাকে। আর যদি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে না কিনে থাকে, তাহলে শুধু ক্রয়মূল্যের উপরেই খুমস ধার্য হবে।
সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম বই থেকে সংগ্রহীত
হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত
