বদঅভ্যাস ও খারাপ চরিত্রের মানুষদের জন্য সতর্কবার্তা

by Syed Yesin Mehedi

রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন,
“(আল্লাহ) খারাপ চরিত্রের মানুষের তওবা আল্লাহ গ্রহণ করেন না।”

সাহাবারা বিস্ময় প্রকাশ করে জানতে চাইলেন: “হে আল্লাহর রাসূল! কেন এমন হয়?”

নবী করিম (সা.) জবাব দিলেন, “কারণ, সে যখনই কোনো গোনাহ থেকে তওবা করে, তখন সে এমন আরেকটি গোনাহে পতিত হয়, যা পূর্বের গোনাহ থেকেও গুরুতর।”

[বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৭৩, পৃষ্ঠা ২৯৯]

এই হাদিস থেকে স্পষ্ট হয় যে, কেবল বাহ্যিকভাবে তওবা করার চেয়ে মানুষের চরিত্র ও নৈতিকতা সংশোধনই প্রকৃত আত্মশুদ্ধির পথ। খারাপ স্বভাব ও নৈতিক দুর্বলতা যতদিন না পরিবর্তিত হবে, ততদিন তওবার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব নয়।

তাই প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য হলো, খারাপ আচার-আচরণ, রূঢ় ব্যবহার ও নেতিবাচক প্রবৃত্তি পরিহার করে উত্তম চরিত্র গড়ে তোলা, যাতে তওবা কবুল হয় এবং আখিরাতে মুক্তি লাভ করা যায়।

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔