মাসআলা (১২১১ : যে সম্পদে খুমস ধার্য হয়েছে কিনা সন্দেহ পোষণ করে, তাতে হস্তক্ষেপ করতে দোষ নেই|
মাসআলা (১২১২) : যে ব্যক্তি খুমস দেয় না, তার খাদ্য খেতে দোষ নেই|
মাসআলা (১২১৩) : যদি দোকানের মালিক না জানে যে, তার সাথে যে খরিদ্দার লেনদেন করছে সে তার সম্পদের খুমস পরিশোধ করেছে কিনা&, সেক্ষেত্রে তার উপর কোনো দায় নেই এবং কোনো অনুসন্ধান করারও জরুরতা নেই|
মাসআলা (১২১৪ ): যে মুসলমান ধর্মীয় ব্যাপারে বিশেষ করে নামায ও খুমসের ব্যাপারে যত্নশীল নয়, তার সাথে উঠাবসা করা যদি তার ধর্মীয় ব্যাপারে যত্নবান না থাকার প্রতি সমর্থনের নামান্তর না হয়, তাহলে উঠাবসা করতে আপত্তি নেই| যদি না তার সাথে উঠাবসা বর্জন করার ফলে তার ধর্মীয় ব্যাপারে যত্নশীল হওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে, তাহলে সেক্ষেত্রে অসৎ কাজ হতে নিষেধ করার প্রেক্ষাপট থেকে সাময়িকভাবে তার সাথে উঠাবসা বর্জন করা &ওয়াজিব হবে|
মাসআলা (১২১৫) : যে ব্যক্তি মুস্তাহাব হচ্ছে যাওয়ার জন্য কিছু টাকা হজ্জ্ব সংস্থার একাউন্টে জমা দিয়েছে, কিন্তু হজ্জ্ব গমনের পূর্বেই ইহকাল ত্যাগ করেছে, সেক্ষেত্রে হজ্জ সংস্থার একাউন্টে টাকা জমা দিয়ে সে যে স্লিপ পেয়েছে, তা বর্তমানে বাজার মূল্যে তার পরিত্যক্ত সম্পদ হিসাবে গণ্য হবে| আর যদি তার জিম্মায় কোনো হজ্জ ধার্য না থাকে এবং হজ্জ্বের ওসিয়তও না করে গিয়ে থাকে, তাহলে উক্ত টাকা নিয়াবাতী (তথা প্রতিনিধি প্রেরণের মাধ্যমে) হজ্জ্বের জন্য খরচ করা ওয়াজিব নয়| আর ঐ স্লিপ বাবদ জমা দেওয়া টাকা যদি ঐ টাকা থেকে হয় যার ওপর খুমস ধার্য হয়েছে কিন্তু খুমস পরিশোধ করা হয়নি, তাহলে উক্ত টাকার খুমস পরিশোধ করতে হবে|
সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম বই থেকে সংগ্রহীত
হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী – এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত
