মাসলা-মাসায়েল

by Syed Yesin Mehedi

৩.৪| শেষে হায়েয নির্ণয় করার মাপকাঠি ঃ (যদি ধরে নেয়া হয় যে রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায় এবং সে মহিলা ওয়াক্তীয়া ও আদাদীয়া মাসিকের কিম্বা শুধু আদাদীয়া মাসিকের অধিকারিনী হয়)
যদি কোন মহিলঅ ওয়াক্তীয়া ও আদাদীয়া মাসিকের কিম্বা কেবল আদাদীয়া মাসিকের অধিকারিনী হয় এবং বক্তব্যর দশ দিন অতিক্রম করে যায় তাহলে তার মাসিকের মেয়অদের দিনগুলোই হবে হায়েয এবং বাকীটা ইস্তিহাযা| চাই অতিরিক্ত দিনগুলো তার মেয়াদের দিনগুলোর পূর্বে হোক আর পরে হোক| (উরওয়াতুল উছকা, হুকমু তাজাউযুদ্দাম অধ্যায়, মাঃ ১, তাহরীরুল উসীলা, খঃ ১, পৃঃ ৪৬, মাঃ ১৪, তৌযিহুল মাসায়েল, মাঃ ৪৮১-৪৮২)
স্মর্তব্য;
যে মহিলা আদাদীয়া মাসিকের অধিকারিনী যদি তার রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায় তাহলে সেস্কেত্রে হায়েযের সময় নির্ণয় করতেঃ
প্রথমতঃ লক্ষণসমূহের প্রতি লক্ষ্য করবে| যেমন : যদি ১২ দিন রক্তস্রাব হয় আর তার মাসিকের মেয়াদ থাকে ৬ দিন এবং তৃতীয় দিন থেকে তার রক্তে মাসিকের লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে তৃতীয় দিন থেকে নবম দিন পর্যন্ত হায়েয আর আগে ও পরের তিন দিনকে ইস্তিহাযা গণ্য করবে|
দ্বিতীয়তঃ যদি হায়েযের লক্ষণাদি বিদ্যমান না থাকে কিম্বা সবগুলো দিনই হায়েজের লক্ষণসম্পন্ন হয় তাহলে প্রথম দিন থেকেই হিসাব করবে| কিন্তু হায়েযের দিন সংখ্যা নির্ণয় করার জন্যে তার মাসিক মেয়াদের দিকে লক্ষ্য করতে হবে| যদি হায়েযের লক্ষণসম্পন্ন দিনগুলো তার মাসিক মেয়অদের চেয়ে কম হয় তাহলে কম হওয়া দিনগুলোও হায়েয গণ্য করতে হবে| যদিও তা হায়েযের রক্তের লক্ষণ সম্পন্ন নয়| আর যদি সে দিনগুলো তার মাসিক মেয়াদকালের চেয়ে বেশী হয় তাহলে শুধু তার মাসিক মেয়াদকালটুকুই হবে হায়েয আর বাকীটা ইস্তিহাযা| (উরওয়াতুল উছকা, ফি হুকমি তাজউযিদ্দাম, পৃঃ ৩৩৫, মাঃ ৭, তৌযিহুল মাসায়েল, মাঃ ৪৯৩)

সুত্রঃ আহকামে মুমিনাত বই থেকে সংগ্রহীত

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔