মাসআলা (১২০৬): যে সাদাতগণ কর্ম ও পেশার অধিকারী, তাদের আয় রোজগার যদি তাদের জীবন ধারণের জন্য সাধারণ বিচারে ও তাদের মর্যাদার সাথে মানানসই ও যথেষ্ট হয়, তাহলে খুমসের হকদার হবে না।
মাসআলা (১২০৭): যে সাদাতের পিতারা তাদের জীবন নির্বাহ খরচ যোগাতে অবহেলা করে, তাদের পরিবার যদি নিজেদের জীবন নির্বাহ খরচ নিজের পিতার কাছ থেকে নিতে না পারে, তাহলে সাদাতের অংশ থেকে তাদের জীবন নির্বাহে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু পরিমাণ তাদেরকে প্রদান করা জায়েয়।
মাসআলা (১২০৮): অভাবী সাদাতগণের যদি খোরপোশ ছাড়াও তাদের অবস্থার সাথে মাননসই অন্য কোনো জিনেসের দরকার থাকে, তাহলে উক্ত প্রয়োজন পূরণ করার জন্য যতটুকু দরকার হয় ততটুকু পরিমাণে সাদাতের অংশ থেকে প্রদান করা জায়েয।
মাসআলা (১২০৯):যে সৈয়দা স্ত্রীলোকের স্বামী দরিদ্রতাবশত তার জীবন নির্বাহ খরচ যোগাতে পারে না এবং সেও শারয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে অভাবী থাকে, সে তার প্রয়োজন মেটানোর জন্য যতটুকু দরকার ততটুকু পরিমাণে সাদাতের অংশ থেকে গ্রহণ করতে পারবে এবং ত নিজের, সন্তানদের এবং এমনকি তার স্বামীর জন্যও খরচ করতে পারবে।
মাসআলা (১২১০):যে ব্যক্তির জীবন নির্বাহ খরচ যোগানো ওয়াজিব থাকে, তাকে খুমস দেওয়া যায় না। যেমন ধরুন, একজন ব্যক্তি তার অভাবী পিতা ও মাতাকে, যাদেরকে সে সাহায্য করার সামর্থ্য রাখে, খুমস দিতে পারবে না।
সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম বই থেকে সংগ্রহীত
হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী – এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত
