খুমসের আহকাম

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

by Syed Yesin Mehedi

পাওনাদি:
মাসআলা (১১৪৪): বাকিতে মালামাল বিক্রয় করার কারণে কিংবা মজুরির টাকা বাকি থাকার কারণে যেসব টাকা পাওনা থাকে, যদি তা খুমসবর্ষের মাথায় আদায়যোগ্য থাকে, যদিও এখনো তা হস্তগত হয়নি, তাহলেও বছর শেষে তার খুমস প্রদান করা ওয়াজিব। অন্যথায় তা যে বছরে পাওয়া যাবে ঐ বছরের আয়ের অংশ হিসাবে গণ্য হবে।
মাসআলা (১১৪৫): সরকারি কর্মচারীদের বেতন বা সরকার কর্তৃক পরিশোধ করতে কয়েক মাস বিলম্ব ঘটেছে, তা উত্তোলনের সময় প্রাপ্তির বছরের আয় হিসাবে গণ্য হবে। আর যদি তা বছরের খরচাদির চেয়ে উদ্বৃত্ত হয় তাহলে খুমস ওয়াজিব।
মাসআলা (১১৪৬): যেসব চাকুরীজীবির খুমসবর্ষ দ্বাদশ মাসের শেষে এবং তারা খুমসবর্ষ শেষ হওয়ার কয়দিন আগেই তাদের বেতন উত্তোলন করে থাকে, এমতাবস্থায় তারা যদি বেতনকে খুমসবর্ষের শেষবধি জীবন নির্বাহ খরচ বাবদ ব্যয় না করে থাকে, তাহলে তাদের যে অংশের জন্য কাজ (ইতোমধ্যে) সম্পন্ন করেছে, ঐ অংশের খুমস দিতে হবে।
মাসআলা (১১৪৭): যে ব্যক্তি কিছু পরিমাণ টাকা ধার দেয়, যদি ধার দেওয়া টাকা তার কাজের সার্বিক আয়ের থেকে হয় এবং উক্ত টাকার খুমস পরিশোধ করার আগেই ধার দিয়ে থাকে, তাহলে যদি খুমসবর্ষের শেষবধি সে ধার গ্রহণকারীর নিকট থেকে ঐ টাকা ফেরত গ্রহণ করতে পারে তবে তার জন্য ওয়াজিব হলো খুমসবর্ষ উপনীত হওয়ার সময় ঐ টাকার খুমস প্রদান করা। আর যদি খুমসবর্ষের শেষবধি ধারের টাকা ফেরত গ্রহণ করতে না পারে তাহলে আপাতত ঐ টাকার খুমস দেওয়া ওয়াজিব নয়। তবে যখনই ঐ টাকা আদায় করতে পারবে তখনই তার খুমস পরিশোধ করতে হবে।

সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম  বই থেকে সংগ্রহীত

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔