ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাজার জিয়ারতের অসংখ্য ফজিলত রয়েছে| ইমাম জাফর আস-সাদিক (আ.) বলেছেন: “তোমরা প্রতি বছর হোসাইনকে জিয়ারত করো| কারণ, যে ব্যক্তি তাঁর মর্যাদা সঠিকভাবে উপলব্ধি করে (যেভাবে আল্লাহর রাসূল বলেছেন) তাঁর জিয়ারত করবে এবং তাঁর অনুসৃত পথের বিপরীত দিকে না চলবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত ছাড়া অন্য কোনো প্রতিদান রাখবেন না|”
দূর থেকে বা সশরীরে কারবালার শহীদদের প্রতি জিয়ারত পাঠ করার মূল উদ্দেশ্য হলো তাঁদের চিন্তাধারার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা এবং তাঁদের শত্রুদের অপকৌশল থেকে নিজেদের মুক্ত ঘোষণা করা| জিয়ারতের একটি বিখ্যাত বাণী হলো: “আপনারা যাদের সাথে সন্ধি করেছেন আমি তাদের সাথে সন্ধিতে আছি, আর যারা আপনাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে আমিও তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আছি|”
ইতিহাসের সত্য ও মিথ্যার যে চিরন্তন দ্বন্দ্ব, জিয়ারতকারী এই ঘোষণার মাধ্যমে নিজেকে সত্যের কাফেলার সাথে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেয়| পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের সুপারিশ বা সমর্থন করবে, সে তার একটি অংশ পাবে| আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজের সমর্থন দেবে, সেও তার মন্দ ফলের একটি অংশ পাবে|” (সূরা আন-নিসা: ৮৫)
এই ঐশী ঘোষণার আলোকেই জিয়ারতকারী শহীদদের মহান কর্ম ও সওয়াবের অংশীদার হন|
40
আগের পোস্ট
