উদুল (তথা অন্য মুজতাহিদের শরণাপন্ন হওয়া) এর আহকাম

by Shihab Iqbal

যেসব ক্ষেত্রে গায়রে আ’লাম মারজার প্রতি উদুল করা জায়েয হয়-

মাসআলা (৩৮): নিন্মলিখিত ক্ষেত্রসমূহে গায়রে আ’লাম মারজার প্রতি উদুল করা জায়েয হয়। যথা:

১. যেসব মাসআলায় আ’লাম মুজতাহিদের ফতোয়া নেই আর গায়রে আ’লাম মুজতাহিদ ঐসব মাআলায় এহতিয়াত করেননি, বরং তাঁর স্পষ্ট ফতোয়া রয়েছে। (অবশ্য এহতিয়াত হলো উদুল করার ক্ষেত্রে আ’লাম এর পরের আ’লাম এর ধারাক্রম মান্য করতে হবে)।

২. যেসব মাসআলায় গায়রে আ’লামের ফতোয়া আ’লামের ফতোয়ার বিরোধী না হয়।

৩. যেসব মাসআলায় আ’লামের ফতোয়া এহতিয়াতের পরিপন্থী হয় আর গায়রে আ’লামের ফতোয়া হয় এহতিয়াতের অনুকূল।

যেসব ক্ষেত্রে উদুল করা জায়েয নয়

মাসআলা (৩৯): নিন্মলিখিত ক্ষেত্রসমূহে উদুল করা জায়েয নয়। যথা:

১. জীবিত মুজতাহিদ হতে অন্য মুজতাহিদের প্রতি উদুল কররা এহতিয়াতে ওয়াজিব অনুসারে জায়েয নয়। যদি না তার মধ্যে মারজায়িত্বের কোনো একটি শর্ত অনুপস্থিত থাকে। যেমন ধরুন, যিনি দ্বিতীয় মারজা, তিনি প্রথম মারজা’র তুলনায় অধিকতর জ্ঞানী তথা আ’লাম। আর কোনো একটি মাসআলায় তাঁর ফতোয়া প্রথম মুজতাহিদের ফতোয়ার বিপরীত হয়।

২. মৃত মুজতাহিদ হতে জীবিত মুজতাহিদের প্রতি উদুল করার পর যেসব মাসআলায় উদুল করা হয়েছে সেসব মাসআলায় উক্ত মৃত মুজতাহিদের প্রতি রুজু করা জায়েয নয়।

মাসআলা (৪০): বিদ্যমান সময় ও পরিস্থিতির সাথে মারজায়ে তাকলীদের ফতোয়া সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কিংবা তাঁর ফতোয়ার উপর আমল করা কঠিন-নিছক এরূপ ধারনা আ’লাম মুজতাহিদ হতে অন্য মুজতাহিদের প্রতি উদুল করার কারণ হয় না।

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔