খুমসের আহকাম

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

by Syed Yesin Mehedi

মাসআলা (১১৪৮): মুদ্রকৃত স্বর্ণ যদি ব্যবসায়ের মুনাফা হিসাবে পরিগণিত হয়, তাহলে খুমস ওয়াজিব হওয়ার দিক থেকে অন্যান্য উপার্জিত আয়ের ব্যায় একই হুকুমভুক্ত হবে।
মাসআলা (১১৪৯): অবসর ভাতা যদি বছরের খরচের তুলনায় উদ্বুত্ত আসে তাহলে তার খুমস পরিশোধ করা ওয়াজিব।
মাসআলা (১১৫০): যে ব্যক্তি একটি কাফনের কাপড় খরিদ করেছে এবং কয়েক বছর হয়ে গেছে, তার ক্রয়মূল্যের উপর খুমস প্রদান করতে হবে।
মাসআলা (১১৫১): ভোগ্যপণ্যসমূহ, যা বেশি দিন থাকে না, যেমনঃ চিনি, মিছিরি, চাউল, তৈল ইত্যাদি যেগুলো নিত্যপ্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, সেগুলো যদি বাৎসরিক আয় থেকে বছরে ব্যবহারের জন্য ক্রয় করে এবং ব্যবহার করে ফেলে, তাহল জীবন নির্বাহ খরচের অন্তর্ভূক্ত হবে এবং খুমস নেই। আর ঐসব সামগ্রী হতে যতটুকু পরিমাণ বছরের শেষে ব্যবহার না করবে, ততটুকু জীবন নির্বাহ খরচের মধ্যে পড়বে না এবং সেগুলোর খুমস পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু যেসব ব্যবহার্য পণ্য অনেক দিন থাকে, যেমনঃ বাড়িঘর, গৃহস্থালির জিনিসপত্র, ব্যক্তিগত গাড়ি, নারীদের অলঙ্কার ইত্যাদি, যেগুলো ব্যবহারের সময় তার মূল জিনিস অবশিষ্ট রয়ে যায় (অন্য কথায় বলা যায়, যেগুলোর ব্যবহার সুবিধা দীর্ঘ মেয়াদী) এবং জীবনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী হিসাবে আয় থেকে খরিদ ও ব্যবহার করা হয়, সেগুলো জীবন নির্বাহ খরচের মধ্যে পড়বে এবং খুমস নেই।

সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম  বই থেকে সংগ্রহীত

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔