তাওয়াফের বিবিধ মাসায়েল
৫৪১. তাওয়াফের মধ্যে হিজ্বরে ইসমাঈলের সামনে এমনভাবে চলতে হবে যাতে কাবাঘরের তাওয়াফ বলে গণ্য হয় এবং প্রচলিত পন্থায় তা হতে হবে। আর যেন অজানা না থাকে যে, বাইরে দিয়ে তাওয়াফ করতে হয়।
৫৪২. সম্ভব হলে নিরিবিলি সময়ে, তাওয়াফ কাবাঘর ও মকামে ইবরাহীমের মধ্যবর্তী ব্যবধানে যা সাড়ে ছাবিবশ হতে হয়, (তার মধ্যেই) হতে হবে। এর চেয়ে বেশি ব্যবধানে হলে ঐ তাওয়াফ যথেষ্ট হবে না। আর সম্ভব না হলে, এমনকি নিরিবিলি সময়েও যদি না হয়, তাহলে উল্লেখিত ব্যবধানের বাইরে তাওয়াফ করতে বাধা নেই। তবে নিকট থেকে নিকটতর ব্যবধান বজায় রাখতে হবে।
৫৪৩. কাবাঘর তাওয়াফের সময় উদাহরণস্বরূপ তাওয়াফের কয়েকটি ধাপে যদি ত্রুটি দেখা দেয়, যেমন ধরুন বিনা ইচ্ছায় (ভিড়) তাকে ঠেলে নিয়ে গেল, তাহলে ঐ কয়েকটি ধাপ পিছিয়ে এসে পুনরায় হাঁটতে হবে। আর যদি তাওয়াফের নিয়তে হাজারুল আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ শুরু করে তাহলে অসুবিধা রয়েছে।
৫৪৪. যদি তাওয়াফের মধ্যে ভিড় ও ঠেলাঠেলির কারণে কাবাঘরের দিকে পিঠ হয়ে যায় এবং তাওয়াফের কিছু অংশ এ অবস্থাতেই সম্পন্ন হয় কিম্বা ভিড়ের ঠেলাঠেলি তাকে কিছুটা সামনে ঠেলে দেয়, তাহলে তাওয়াফের যে অংশটুকু কাবাঘরের দিকে পিঠ করে হয়েছে কিম্বা বিনা ইচ্ছায় হয়েছে তা পুনঃ আদায় করতে হবে। আর যদি ফিরে আসতে না পারে তাহলে তাওয়াফের নিয়ত ছাড়াই ভিড়ের সাথে যাবে সেই জায়গা পর্যন্ত যেখান থেকে তাওয়াফ পুনঃ আদায় করতে হবে। তখন সেখান থেকেই
তাওয়াফ পুনঃ আদায় করবে।
৫৪৫. যদি হাজী তাওয়াফ অবস্থায় ঘুমস পরিশোধ না করা টাকা তার সাথে থাকে তাহলে তার তাওয়াফে ত্রুটি দেখা দেবে না।
৫৪৬. যদি কেউ তামাণ্ডু হজ্ব সম্পাদন করার পর বুঝতে পারে যে, হজ্ব কিম্বা ওমরাহ’র তাওয়াফে সাত পাকের কয়েকটি পাক হিজ্বরে ইসমাঈলের ভেতর দিয়ে ঘুরে এসেছে, তাহলে তার হজ্ব সঠিক। আর তাওয়াফ পুনঃ আদায় করতে হবে
(সূত্র :হজ্ব নির্দেশিকা, সংকলনেঃ মোহাম্মদ হুসেইন ফাল্লাহযাদেহ)
