মহান আল্লাহর অধিকার

রিসালাতুল হুকুক

by Syed Yesin Mehedi

তোমার উপর মহান আল্লাহর অধিকার হচ্ছে তুমি তাঁর ইবাদত করবে এবং কাউকে তার অংশীদার বানাবে না। যখনই তুমি এসব কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পাদন করবে তখনই আল্লাহ্পাক তোমার দুনিয়া ও আখেরাতের যাবতীয় বিষয় নিজ দায়িত্বে নিয়ে নিবেন।'(অর্থাৎ তোমার পার্থিব ও পরকালীন সকল সমস্যার সমাধানের দায়িত্ব নিজে গ্রহণ করেন। অনুবাদক)

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে: “আর তারা উপাসনা করে আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন বস্তুর যা তাদের কোনো ক্ষতিসাধন করতে পারে না এবং উপকারও করতে সক্ষম নয়। তারা বলে: এরা তো আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী। তুমি বল! তোমরা কি আল্লাহকে আসমানসমূহ ও জমিনের এমন বিষয়ে অবহিত করছ যে সম্পর্কে তিনি অবহিত নন? তিনি তা থেকে পবিত্র ও মহান যাকে তারা (তাঁর সঙ্গে) অংশীদার করছে। “(সূরা: ইউনুস, ১৮তম আয়াত।)

“নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ ক্ষমা করেন না, তাঁর সঙ্গে শরিক করাকে। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন শিরক ব্যতীত নিম্ন পর্যায়ের পাপ। আর যে আল্লাহ সঙ্গে অংশীদার সাব্যস্ত করল, সে নিশ্চয় চরম অপবাদ আরোপ করল। ( সূরা: নিসা, ৪৮তম আয়াত )।

তারা কাফের যারা বলে যে, মরিময় তনয় মসীহ-ই আল্লাহ; অথচ মসীহ বলেন, হে বণী ইসরাঈল, তোমরা আল্লাহ ইবাদত কর যিনি আমার পালনকর্তা এবং তোমাদেরও পালনকর্তা। নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহ্র সঙ্গে অংশীদার স্থির করে, আল্লাহ্ তার জন্যে জান্নাত হারাম করে দেন এবং তার স্থায়ী বাসস্থান হবে জাহান্নাম। আর অত্যাচারীদের কোনো সাহায্যকারী নেই।””
( সূরা: মায়েদা, ৭২তম আয়াত )।

যখন লোকমান উপদেশদান কালে তার পুত্রকে বলল: হে বৎস, আল্লাহর সঙ্গে শরীক করো না! নিশ্চয় আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা চরম জুলুম।'” (সূরা: লোকমান, ১৩তম আয়াত )।

“নিশ্চয় আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করে। এ ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। যে আল্লাহর সঙ্গে শরীক করে, সে গভীর ভ্রান্তিতে পতিত হয়।
(সূরা: নিসা, ১১৬তম আয়াত )।

সূএ :  ( ইমাম সাজ্জাদ (আ.)-এর রিসালাতুল হুকুক (অধিকার বিষয়ক সন্দর্ভ )

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔