সূরা সাফফের তাফসীর

by Syed Yesin Mehedi

ইসলামি বিধানাবলির উপেক্ষা অবমাননা ও লাঞ্ছনা বয়ে আনে
দ্বিতীয় নমুনাটি আমাদের নিজেদের সাথে সম্পর্কিত; আমরা আজ ইসলামের আলোয় আলোকিত, ইসলামের প্রতি আমরা ঈমান আনয়ন করেছি এবং মুসলমান হিসেবে আত্ম পরিচয় পেয়েছি। এতদসত্ত্বেও যদি আমরা ঐ সব মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হই, তবে নিশ্চিত থাকবেন আমরাও ধীরে ধীরে অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হব। এমনটি ভাববেন না যে, আমি ও আপনি যেহেতু বিপ্লবী শ্লোগান দেই, জিহাদ করি, ‘আল্লাহু আকবার’ শ্লোগান দেই; এগুলোর বদৌলতে কি আল্লাহ আমাদের গাফিলতিসমূহকে ক্ষমা করে দিবেন? না, তা কখনও সম্ভব নয়। আমরা যদি জুলুম, অবিচার করি, অপচয় করি, যদি আল্লাহর আদেশ ও নিষেধ মেনে না চলি এবং তাকওয়া অবলম্বন না করি; তাহলে আমরাও বনি ইসরাইলের ন্যায় কঠিন পরিণতির শিকার হব। যেভাবে ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুসলমানদের সোনালী গৌরব এবং সুউচ্চ মান-মর্যাদা আজ ম্লান হয়ে গেছে; আমরাও যদি নিজেদের অবস্থান ধরে না রাখি ও সজাগ না থাকি, তবে আমাদের জন্যও অনুরূপ প্রতিফল অপেক্ষা করছে। সুতরাং সূরা সাফ্ফের এ আয়াতসমূহে যখন হযরত মূসা (আ.) ও ঈসার (আ.) সময়কার পরিস্থিতি এবং তাদের সম্প্রদায়ের পরিণতি সম্পর্কে ইশারা করা হয়; তখন এর অর্থ হচ্ছে কুরআন আমাদেরকে ইতিহাসের উক্ত অধ্যায় থেকে বাস্তব শিক্ষা গ্রহণের সুপারিশ করছে। কাজেই এ বিষয়ে আমাদের বিশেষ মনোনিবেশ করা উচিত।
যেহেতু এখানে আমাদের আলোচনা অনেক দীর্ঘায়িত হয়েছে, সেহেতু আমরা পরবর্তী আলোচনায় আলোচ্য আয়াতের (সূরা সাফফের ৫ নং আয়াত) অবশিষ্ট তাফসীর উত্থাপনের পর নতুন আলোচনা শুরু করব, ইনশা আল্লাহ।

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔