খুমসের আহকাম

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

by Syed Yesin Mehedi

সঞ্চয়
মাসআলা (১১৪২): যে আয়ের টাকা সঞ্চয় করা হয়, খুমসবর্ষ শেষে উক্ত টাকায় খুমস দিতে হবে। যদি না জীবন যাপনের জন্য জরুরি কোনো সামগ্রী ক্রয় করা নির্ভর করে বছরের আয়ের টাকা সঞ্চয়ের উপর, আর তার পরিকল্পনা থাকে যে সঞ্চয়কৃত টাকা শীঘ্রই যেমন ধরুন, খুমসবর্ষ উত্তীর্ণ হওয়ার কয়েক দিন পরেই উক্ত সামগ্রী খরিদ করার জন্য খরচ করে ফেলবে, তাহলে সেক্ষেত্রে তাতে খুমস থাকবে না।
মাসআলা (১১৪৩): ব্যবসায়ের আয় হতে যে পরিমাণ টাকা সঞ্চয় করা হবে, তাতে একবার খুমস ধার্য হবে। আর ব্যাংকে কার্জুল হাসানা হিসাবে তা সঞ্চয় করার কারণে খুমস মওকুফ হবে না।

সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম  বই থেকে সংগ্রহীত

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔