প্রশ্ন-১১:ভগ্নীপতি ও দেবর-ভাসুররাও কি অপরাপর না-মাহরামদের ন্যায় গণ্য হবে এবং অন্যান্যদের মত তাদের থেকেও কি পর্দা করে চলতে হবে?
উত্তর: ভগ্নিপতি ও দেবর-ভাসুররাও না-মাহরামের প্রশ্নে অন্যদের থেকে কোন পার্থক্য নেই। আর স্ত্রীলোকের জন্য উচিত অন্যান্য না-মাহরাম থেকে যেভাবে নিজেকে বাঁচিয়ে চলে তদ্রুপ তাদের থেকেও নিজেকে বাঁচিয়ে চলবে। (অর্থাৎ পর্দা করবে)
যেমন, তাদের সামনে দিয়ে মোজা ছাড়া পায়ে চলতে পারবে না (এমনকি যদি তারা ধর্মভীরু ব্যক্তিও হয়ে থাকে এবং সেদিকে নাও বা তাকায়। কেননা, স্ত্রীলোকের উচিত না-মাহরামের দৃষ্টি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা চাই সে তাকায় আর না তাকায়।)
প্রশ্ন-১২: যদি স্ত্রীলোকদের মুখমন্ডল ও হাতদ্বয়কে (কব্জি পর্যন্ত) না ঢাকার কারণে সমাজে কোন ফেসাদের জন্ম দেয় তাহলে কি মুখমÐল ও হাতদ্বয়কে ঢাকা ওয়াজিব হবে নাকি ওয়াজিব হবে না?
উত্তর: প্রশ্ন অনুযায়ী ওয়াজিব হবে। (ইস্তিফতা)
প্রশ্ন-১৩;কেউ যদি হয়তো মুখমন্ডল ও হাতদ্বয় না ঢাকার কারণে কোন ফেসাদের কারণ হতে পারে এ সম্ভাবনার বশবর্তী হয়ে সতর্কতাবশত সেগুলোকে ঢেকে রাখে তাহলে কি সে কোন মুস্তাহাব কাজ করলো নাকি করলো না?
উত্তর: সে উত্তম একটি সতর্কতা অবলম্বন করল। (ইস্তিফতা)
প্রশ্ন-১৪: হিজাব কি ইসলামের একটি জরুরী বিষয়? যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করে এবং যারা বিশেষ করে ইসলামী সমাজে সেটার প্রতি অবহেলা করে তাদের হুকুম কি?
উত্তর: হিজাবের মূল হুকুমটি ইসলামের জরুরী বিষয়ভূক্ত আর সেটার অস্বীকারকারী ব্যক্তি জরুরী বিষয়কে অস্বীকার করার হুকুমে পড়বে এবং জরুরী বিষয়কে যে অস্বীকার করে সে কাফের বলে পরিগণিত হবে যদি না স্পষ্ট থাকে য সে আল্লাহ ও রাসুলকে অস্বীকার করে না। (ইস্তিফতা)
প্রশ্ন-১৫: বলা হয়েছে যে, স্ত্রীলোকের উচিত বুঝসম্পন্ন বালকদের থেকে নিজেকে পর্দা করা। বালকদের বুঝসম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে কোন পন্থায় সনাক্ত করা যায় বুঝিয়ে বলবেন কি?
উত্তর: কিছু কিছু বিষয় বড়রা বুঝতে পারে কিন্তু শিশুরা তা অনুধাবন করতে পারে না। কোন বালক যদি এমন অবস্থায় উপনীত হয় যে উক্ত বিষয়গুলোকে নির্ণয় করতে সক্ষম তাহলে তাকে বুঝসম্পন্ন বালক বলা হয়। (ইস্তিফতা)
সুত্রঃ আহকামে মুমিনাত বই থেকে সংগ্রহীত
