৭০৮. সাঈ সম্পন্ন করার পর ওয়াজিব হলো তাছীর করা (অর্থাৎ নখসমূহের কিছু অংশ অথবা মাথার চুল কিম্বা গোঁফ বা দাড়ির অংশ বিশেষ ছেঁটে ফেলা ) ্রআর তাকছীরের ব্যাপারে মাথা ন্যাড়া করা যথেষ্ট হবে না। বরং তা হারাম।(‘যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং জ্ঞাতসারে মাথাকে ন্যাড়া করে, তাহলে একটি ভেড়া কাফফারা প্রদান করতে হবে।)
৭০৯. এই আমলটিও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। তাই পবিত্র ও নিখাদ নিয়্যত সহকারে আল্লাহর আনুগত্যের উদ্দেশ্যেই তা পালন করতে হবে। আর যদি ভ-ামি করে, তাহলে তার ওমরাহ্ বাতিল হওয়ার কারণ হবে, যদি না তা পুরণ করে নেয়।
৭১০. যদি হজ্বের ইহরাম বাঁধা পর্যন্ত তাকছীরকে ভুলে যায়, তাহলে তার ওমরাহ গঠিক। আর একটি ভেড়া কুরবানি করা মুস্তাহাব। তাছাড়া সতর্কতা হলো এই কুরবানি প্রদান করা।
৭১১. যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকছীর পরিত্যাগ করে হজ্বের ইহরাম বাঁধা পর্যন্ত, তাহলে জোরালো মত অনুযায়ী তার ওমরাহ্ বাতিল হয়ে যাবে। আর দৃশ্যত তার হজ্ব হবে ইফরাদ হজ্ব। আর সতর্কতামূলক ওয়াজিব হলো ইফরাদ হজ্ব সম্পূর্ণ করার পর মুফরাদা ওমরাহ্ সম্পাদন করা এবং পরবর্তী বছরে হজ্ব পুনঃ আদায় করা।
৭১২. তামাত্তু ওহরাহ’য় তাওয়াফে নিসা ওয়াজিব নয়। আর যদি সতর্কতা অবলম্বন করতে চায় তাহলে তার তাওয়াফ ও নামায সওয়াবের আশায় সম্পাদন করবে।
৭১৩. তাকছীর করার পর ইহরামের মাধ্যমে যা কিছু তার ওপর হারাম হয়ে গিয়েছিল তার সবকিছুই হালাল হয়ে যায়। এমনকি স্ত্রী-সহবাসও। কেবল মাথা ন্যাড়া করা ছাড়া।
৭১৪. তাকছীরের প্রশ্নে চুল উপড়ে ফেলা যথেষ্ট নয়। বরং এক্ষেত্রে মানদ- হলো চুল ছেঁটে ফেলা, সেটা যে কোনো হাতিয়ারের সাহায্যেই হোক না কেন। আর বগলের নিচের চুল বা অনুরূপ কিছু ছাঁটাই করাকে যথেষ্ট মনে করতে অসুবিধা রয়েছে।
(সূত্র :হজ্ব নির্দেশিকা, সংকলনেঃ মোহাম্মদ হুসেইন ফাল্লাহযাদেহ)
