পর্দা বিষয়ক মাসলা-মাসায়েল

by Syed Yesin Mehedi

প্রশ্ন-৩৬: শাহী শাসনামলে পরিবার সংরক্ষণ আদালতের মাধ্যমে বনাবনির অভাবে যেসব তালাক সম্পন্ন হয়েছে সেগুলোর হুকুম কি?
উত্তর: যদি স্বামীর জবরদস্তির কারণে কিম্বা তার বিনা অনুমতিতে তালাক হয়ে থাকে তাহলে সঠিক নয়। (ইস্তিফতা)
প্রশ্ন-৩৭: যদি স্বামী স্ত্রী পরস্পর তালাক গ্রহণ করে তাহলে উক্ত স্বামীর পিতা কি পরিত্যক্তা স্ত্রীর জন্য তখনো মাহরাম হবে? স্ত্রীর মা কি পরিত্যক্ত স্বামীর জন্য মাহরাম হবে?
উত্তর: হ্যাঁ। তালাক কিম্বা মৃত্যু তাদের মাহরামত্বকে বিনষ্ট করে না। (ইস্তিফতা)
প্রশ্ন-৩৮: স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ভেদাভেদ এবং এই যে ইসলাম বেশি বেশি স্বামীকে অধিকার প্রদান করে এতে আমার কিছু অভিযোগ রয়েছে। যেমন- পুরুষকে এত বেশি অধিকার দিয়েছে যে বার বার গিয়ে লোকজনের মেয়েদেরকে বিয়ে করে। আর কিছু দিন পরে তাকে তালাক দিয়ে অন্য একটি স্ত্রীর চিন্তা শুরু করে। অথচ এতে না তার ব্যক্তিত্ব কমে যায় আর না কেউ তাকে বাধা প্রদান করে। কিন্তু বেচারা মেয়েগুলো…….। এভাবে দাম্পত্যের অন্যান্য ক্ষেত্রেও। আমার মনে হয় ইসলাম এখানে একটু অবিচার করেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, আপনার মতে এধরনের চিন্তা কি কুফরী হিসেবে গণ্য হয় এবং অনুগ্রহ করে জানাবেন কিভাবে আমি এ ধরনের চিন্তার হাত থেকে মুক্ত হতে পারি?
উত্তর: অবিচার করেছে-এ ধরনের চিন্তা বিপদজনক এবং যত দ্রুত সম্ভব তওবা করতে হবে। বরং যেহেতু স্ত্রী প্রজাতি পুরুষদের তুলনায় দুর্বল প্রকৃতির একারণে ইসলাম ধর্ম পুরুষদের জন্য অধিকতম কঠিন দায়িত্বারোপ করেছে। মোহরানা ছাড়াও স্ত্রীর ভরণ-পোষণের যাবতীয় খরচ তার উপর ন্যস্ত করেছে আর তার বিপরীতে কেবলমাত্র দাম্পত্য ব্যাপারে স্বামীর আনুগত্য করাকে ওয়াজি করেছে। আর যাতে ভবঘুরে না হয় সে কারণে স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে ঘর থেকে বের হওয়াকে নিষিদ্ধ করেছে। আর একাধিক স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি প্রদান করেছে এজন্যে যাতে অভিভাবক ও পৃষ্ঠপোষকহীনা স্ত্রীলোকের সংখ্যা কম থাকে। (ইস্তিফতা)
প্রশ্ন-৩৯: অনুগ্রহপূর্বক জানাবেন যে স্ত্রীলোক পুরুষের উপর কি কি অধিকার রাখে?
উত্তর: যদি স্ত্রী অবাধ্য না হয়ে থাকে তাহলে স্বামীর উচিত তার বাসস্থান ও পোশাক এবং প্রচলিত খরচ প্রদান করা। আর তার সাথে দুর্ব্যবহার না করা। (ইস্তিফতা)
প্রশ্ন-৪০: যদি কোন স্ত্রীলোক তার নাতি বা পুতিকে দুধ পান করায় তাহলে হুকুম কি?
উত্তর: যদি কোন স্ত্রীলোক তার নাতিকে দুধ পান করায় তাহলে কন্যার সন্তান হলে উক্ত কন্যা তার স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যাবে। তদ্রুপভাবে, যদি উক্ত কন্যার স্বামী অপর কোন স্ত্রী থেকে কোন সন্তানের অধিকারী থাকে এবং তাকে দুধ দেয় তাহলেও হুকুম একই হবে। কিন্তু যদি কোন স্ত্রীলোক তার পুত্রের সন্তানকে দুধ দেয় তাহলে ঐ সন্তানের মা তার স্বামীর জন্য হারাম হবে না।

সুত্রঃ আহকামে মুমিনাত বই থেকে সংগ্রহীত

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔