খুমসের আহকাম

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

by Syed Yesin Mehedi

মাসআলা (১১৫৬): যেসব ঔষধ বছরের মাঝে আয় হতে খরিদ করা হয়েছে এবং নষ্ট না হয়ে খুমসবর্ষের শেষাবধি অবশিষ্ট রয়েছে, যদি সেগুলো প্রয়োজনের সময় ব্যবহারের উদ্দেশ্যে খরিদ করা হয়ে থাকে এবং প্রয়োজন পড়েও, তাহলে জীবন নির্বাহ খরচের মধ্যে পড়বে এবং খুমস নেই।
মাসআলা (১১৫৭): প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী, যেমন ধরুন, গৃহস্থলির সামগ্রী, বিবাহের উপঢৌকনাদি, বাসভবন ইত্যাদি যেগুলো কেউ দরকারের সময় একবারে ক্রয় করতে সক্ষম থাকে না, বরং বছরের পর বছর আয় থেকে জমা করে পর্যায়ক্রমে সেগুলো সংগ্রহ করে এবং প্রয়োজনের দিনের জন্য সংরক্ষণ করে থাকে, সেক্ষেত্রে সে প্রত্যেক বছর সাধারণ বিচারে তার অবস্থা অনুযায়ী যতটুকু পরিমাণে সংগ্রহ করে, ততটুকু জীবন নির্বাহ খরচের মধ্যে পড়বে এবং খুমস নেই।
মাসআলা (১১৫৮); যদি কোনো এলাকায় প্রথা এটা হয় যে ছেলে পক্ষের পরিবার সংসারের আসবাবপত্র ও গৃহস্থালির দ্রব্য-সামগ্রী খরিদ করবে এবং সময়ের পরিক্রমায় পর্যায়ক্রমে উক্ত দ্রব্য সামগ্রী সংগ্রহ করবে এবং এভাবে বছর পার হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে যদি ভবিষ্যতের জন্য আসবাবপত্র ও গৃহস্থালির দ্রব্য সামগ্রী সংগ্রহ করা সাধারণ বিচারে জীবন নির্বাহ খরচ হিসাবে গণ্য হয় তাহলে তাতে খুমস নেই।
মাসআলা (১১৫৯):যে ব্যক্তি বসতবাড়ি নেই, তবে এক খণ্ড জমি তার রয়েছে যা একবছর বা তারও অধিক কাল তার মালিকানায় অতিক্রান্ত হয়ে গেছে, কিন্তু সেখানে বাড়ি নির্মাণ করার সামর্থ্য তার নেই, এরূপ ক্ষেত্রে সে যদি উক্ত জমিকে তার প্রয়োজনীয় বসতবাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে বছরের মধ্যবর্তী আয় হতে খরিদ করে থাকে, তাহলে যতক্ষণ অবধি সে তার বিক্রয় না করবে ততক্ষণ তার খুমস ওয়াজিব নয়। কিন্তু যদি সেটাকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এবংউক্ত টাকা বাড়ি নির্মাণের কাজে ব্যয় করার উদ্দেশ্যে বছরের আয় দ্বারা খরিদ করে থাকে, তাহলে তার খুমস পরিশোধ করা ওয়াজিব।
মাসআলা (১১৬০): যে জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণের প্রয়োজন হেতু খুমস ওয়াজিব হয় না, সেক্ষেত্রে উক্ত জমি একখণ্ড হোক আর কয়েক খণ্ডই হোক অথবা একটি বসতবাড়ি হোক আর কয়েকটি বসতবাড়ি হোক, কোনো পার্থক্য নেই। বরং এক্ষেত্রে মাপকাঠি হলো সাধারণ বিচারে সেটা ব্যক্তির সামাজিক অবস্থান এবং পর্যায়ক্রমে নির্মাণকার্যের জন্য আর্থিক সঙ্গতি অনুযায়ী প্রয়েঅনীয় কথাটি উক্ত জমির উপর প্রযোজ্য হওয়া।

সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম  বই থেকে সংগ্রহীত

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔